রুবি আক্তার

সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার, জঙ্গীবাদ ও অনৈতিকতার এক অদম্য(অপ্রতিরোধ্য) ব্লগার ও লেখক।ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোষ উন্মোচন ও ধর্মান্ধতার কবলে পড়ে সমাজ ও জনজীবন বিধ্বংসকারী কার্যকলাপ থেকে মানুষকে রক্ষা করাই তার লেখার মূল ভাষ্য।

একাধারে তিনি প্রকাশিত করেন অসংখ্য অগ্নিঝরা প্রতিবাদী লেখা।

এছাড়াও তিনি অবদান রাখেন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে।পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন যুব সংঘটনের সাথে যুক্ত আছেন যারা সমাজের অসহায় মানুষগুলোর বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতামূলক কাজ করে থাকে।

Blog

সেকুলারিজম, মৌলবাদ ও দক্ষিন এশিয়া।

ধর্মীয় মৌলবাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে- ধর্মের প্রাচীন মূল্যবোধ রাষ্ট্র এবং সমাজে প্রতিষ্ঠা করা। ধর্মীয় মৌলবাদীরা নিজেদের এজেন্ডা জাস্টিফাই করার জন্য ধর্মীয় গ্রন্থকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। দক্ষিণ এশিয়াতে হিন্দুত্ববাদীদের পুঁজি

সামপ্রদায়িকতা এবং মৌলবাদ মুক্ত বাংলাদেশ। আমাদের করণীয়।

মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা শুধু বাংলাদেশ কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার সমস্যা নয়, সমগ্র বিশ্ব আজ জঙ্গী মৌলবাদী সন্ত্রাসের হিংস্র থাবায় ক্ষতবিক্ষত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশে উপনিবেশবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অধিকারবঞ্চিত

প্রগতিশীল মানুষের বিরাট শত্রু ধর্মীয় উগ্র মৌলবাদ।

আপনি একবার ভাবুন। ধর্মীয় উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ যে গ্রামে কিংবা শহরে আধিপত্য তৈরি করে বসে আছে সে এলাকায় কার্ল মার্কস, লেনিন কিংবা কমিউনিজমের বাণী প্রচার করতে গেলে আপনার কি অবস্থা

মৌলবাদ ও আমাদের ভবিষ্যতঃ কিছু যুক্তিবাদী চর্চা।

প্রায় পঞ্চাশ বছর সময়কাল ধরে ‘ফান্ডামেন্টালিজম’ বা ‘মৌলবাদ’ সারা পৃথিবী জুড়ে এমনই এক ‘ফেনোমেনন’ হয়ে দেখা দিয়েছে, কোনও চিন্তাশীল মানুষই যাকে আর উপেক্ষা করতে পারেন না। ইউরোপে রেনেসাঁ, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব,

প্রগতিশীলতা বনাম মৌলবাদ প্রেক্ষিত: বাংলাদেশের বাইনারী রাজনীতি

বাজি ধরে বলতে পারি, এই লেখাটার শিরোনাম দেখেই বিরাট একটা অংশের মানুষ রিলাকটেন্ট হয়ে যাবে এই সন্দেহে যে এটি আসলে কাদের পক্ষে লেখা হয়েছে? প্রগতিশীলদের পক্ষ নিয়ে না র্ধমীয় মৌলবাদীদের

বাংলাদেশে দিন দিন মৌলবাদীতা বৃদ্ধির কারনে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কি আফগানিস্তানে পরিনত হতে পারে? কোন দিকে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ?

আফগানিস্তানের মৌলবাদের মূল কারন ১৯৮০ সালের পর থেকে বহিঃশক্তির প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ ও তার প্রভাব যার জন্য সন্ত্রাসবাদ ও তার কণ্ঠলগ্ন মৌলবাদের বিকাশ । বাংলাদেশে এই অবস্থা এখনও না এলেও মধ্যপ্রাচ্যের

বাংলাদেশর ধর্ম ভিত্তিক উন্মাদনার বিষয় গোটা বিশ্বেই এখন আলোচনার বিষয় বটে।

ধর্মীয় উগ্রবাদের কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ যে নেতিবাচক পরিচিতি পাচ্ছে সে বিষয়ে কি আমরা অবগত বা চিন্তিত? সমাজ, রাষ্ট্র বা পরিবার, কোনো জায়গা থেকেই এ বিষয়ে কি উদ্বেগ লক্ষ্য করা যায়?

ধর্ম নিরপেক্ষ মতবাদ পোষনকারী ও সংখ্যা লুঘুরাই হচ্ছে মৌলবাদিদের প্রধান টার্গেট

আবুল হুসেন ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজে’র সম্পাদক পদে ইস্তফা দেন। ইস্তফা পত্রে তিনি লেখেন-“ এই পদত্যাগ করার আসল উদ্দেশ্যটি এই প্রসঙ্গে ব’লে দেওয়া দরকার মনে করি। ‘সাহিত্য সমাজে’র উদ্দেশ্য ছিল চিন্তা করা।

ফান্ডামেন্টালিজম’ বা ‘মৌলবাদ’ সারা পৃথিবী জুড়ে এমনই এক ‘ফেনোমেনন’ হয়ে দেখা দিয়েছে, কোনও চিন্তাশীল মানুষই যাকে আর উপেক্ষা করতে পারেন না।

প্রায় পঞ্চাশ বছর সময়কাল ধরে ‘ফান্ডামেন্টালিজম’ বা ‘মৌলবাদ’ সারা পৃথিবী জুড়ে এমনই এক ‘ফেনোমেনন’ হয়ে দেখা দিয়েছে, কোনও চিন্তাশীল মানুষই যাকে আর উপেক্ষা করতে পারেন না। ইউরোপে রেনেসাঁ, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব,

গণঅভ্যুত্থানে আলেম সমাজের আত্মত্যাগ নিয়ে প্রশন তুলে সমােলোচার মুখে হিজবুত তাওহিদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শুরু থেকে তাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন দেশের আলেম সমাজ ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। তারা সাধারণ ছাত্র-জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তরুণ আলেম প্রজন্ম নামে বিপ্লবোত্তর

ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও হাটহাজারীর পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী গ্রেপ্তার হন ২৫ নভেম্বর। এর পরের দিন চট্টগ্রামের আদালতপাড়ায় তার অনুসারীদের হাতে খুন হন আইনজীবী

বাংলাদেশের জন্য ধর্মীয় উগ্রবাদ এক বিরাট চ্যালেঞ্জের নাম

বহুদিন ধরেই একথা দেশের প্রগতিশীল সকল পক্ষ থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ভয়ংকর ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এর বিস্তার ঠেকাতে কোনো সরকারই তেমন গা করছে না।

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত হিজবুত তাওহিদ বর্তমানে মিডিয়ার সামনে নিজেদের গুনগান প্রচারে ব্যাস্ত।সম্প্রতি ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেও দাবি তুলেছে।

সম্প্রতি ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেও দাবি তুলেছে।গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের দেয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন’ হিজবুত তাওহিদ এর ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে কঠোরতা ছিল সেটি বর্তমানে অনেকটাই শিথিল বলে অনেকে মনে করছেন।

অতীতে কখনোই হিযবুত তাহ্‌রীরকে এতটা সক্রিয় এবং তৎপর বাংলাদেশে দেখা যায়নি বলেও মত অনেকের। সরকার পতনের পর হিযবুত নেতাদের বেশ কয়েকজন জেল থেকে মুক্তিও পেয়েছেন। হিযবুত তাহ্‌রীরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত হিজবুত তাওহিদ নিয়ে বর্তমান সরকারি কতটা সতর্ক তা নিয়ে জনমনে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিয়েছে..

হিযবুত তাহ্‌রীর বা যে কোনো সংগঠন যদি তাদের অবস্থান ব্যক্ত করতে চায় পরিস্কার করতে চায় সে সুযোগ আছে। তারা সরকারের সাথে কথা বলুক। আলোচনা করুক। আলোচনার মাধ্যমে সেটা একটা পর্যায়ে

নিষিদ্ধ সংঘটন (হিযবুত তাহ্‌রীর.)……এখন প্রকাশ্যে …

প্রকাশ্যে হিযবুত তাহ্‌রীর ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরই আগস্টে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে সভা করতে দেখা যায় হিযবুত তাহ্‌রীরের কর্মীদের। সাদা কালো কাপড়ে ইসলামের কলেমা লেখা পতাকা,

বাংলাদেশে ২০০৯ সালে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল হিজবুত তাওহিদ সংঘটনের বিরুদ্ধে

বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ২২ই অক্টোবর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রেসনোট জারি করে হিযবুত তাহ্‌রীর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ওই প্রেসনোটে সংগঠনটিকে ‘শান্তি শৃঙ্খলা এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা পূর্বের থেকে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছেসরকার পতনের পর থেকে।

ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশে সনাতন ধর্মের মানুষেরা ভূমির অধিপতি হিসেবে ঐতিহাসিক ভাবে স্বীকৃত। বংশ পরম্পরায় সেই সনাতন ধর্মের মানুষগুলিই কালানুক্রমে মুসলিম ধর্মে দ্বীক্ষিত হয়েছে। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে বেশির ভাগ

জঙ্গিবাদ প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অর্থায়ন। আমাদের দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলোর জন্য অর্থায়ন আসে মূলত মধ্য-এশিয়ার কয়েকটি দেশ থেকে বিভিন্ন এনজিও অথবা হুন্ডির মাধ্যমে।

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দমনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনস্বীকার্য, কারণ এদেশের জঙ্গিবাদী কার্যক্রম মূলত ধর্ম কেন্দ্রিক ও ধর্মীয় উগ্রবাদ নির্ভর। হলি আর্টিজান হামলার পর বাংলাদেশের ধর্মীয় সংগঠনগুলো ফতোয়া দিয়েছিল যেখানে ১ লক্ষ

জাতি-ধর্ম পরিচয়ভিত্তিক সহিংসতা কমাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। আর এ ধরনের সম্প্রীতি বাড়াতে সামাজিক প্রকল্প নিতে হবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে।

বাংলাদেশে জাতি ও ধর্মের বিবেচনায় হওয়া হামলার ঘটনাগুলোর সঠিক বিশ্লেষণ করতে হলে শুধু ৫ আগস্টের পরবর্তী ঘটনার দিকে তাকালে হবে না; বরং এ ধরনের হামলা কেন হয়, এসব হামলায় কারা

About Me

সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার, জঙ্গীবাদ ও অনৈতিকতার এক অদম্য(অপ্রতিরোধ্য) ব্লগার ও লেখক।ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোষ উন্মোচন ও ধর্মান্ধতার কবলে পড়ে সমাজ ও জনজীবন বিধ্বংসকারী কার্যকলাপ থেকে মানুষকে রক্ষা করাই তার লেখার মূল ভাষ্য।

একাধারে তিনি প্রকাশিত করেন অসংখ্য অগ্নিঝরা প্রতিবাদী লেখা।

এছাড়াও তিনি অবদান রাখেন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে।পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন যুব সংঘটনের সাথে যুক্ত আছেন যারা সমাজের অসহায় মানুষগুলোর বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতামূলক কাজ করে থাকে।

Follow

সেকুলারিজম, মৌলবাদ ও দক্ষিন এশিয়া।

ধর্মীয় মৌলবাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে- ধর্মের প্রাচীন মূল্যবোধ রাষ্ট্র এবং সমাজে প্রতিষ্ঠা করা। ধর্মীয় মৌলবাদীরা নিজেদের এজেন্ডা জাস্টিফাই করার জন্য ধর্মীয় গ্রন্থকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। দক্ষিণ এশিয়াতে হিন্দুত্ববাদীদের পুঁজি

সামপ্রদায়িকতা এবং মৌলবাদ মুক্ত বাংলাদেশ। আমাদের করণীয়।

মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা শুধু বাংলাদেশ কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার সমস্যা নয়, সমগ্র বিশ্ব আজ জঙ্গী মৌলবাদী সন্ত্রাসের হিংস্র থাবায় ক্ষতবিক্ষত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশে উপনিবেশবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অধিকারবঞ্চিত

প্রগতিশীল মানুষের বিরাট শত্রু ধর্মীয় উগ্র মৌলবাদ।

আপনি একবার ভাবুন। ধর্মীয় উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ যে গ্রামে কিংবা শহরে আধিপত্য তৈরি করে বসে আছে সে এলাকায় কার্ল মার্কস, লেনিন কিংবা কমিউনিজমের বাণী প্রচার করতে গেলে আপনার কি অবস্থা

মৌলবাদ ও আমাদের ভবিষ্যতঃ কিছু যুক্তিবাদী চর্চা।

প্রায় পঞ্চাশ বছর সময়কাল ধরে ‘ফান্ডামেন্টালিজম’ বা ‘মৌলবাদ’ সারা পৃথিবী জুড়ে এমনই এক ‘ফেনোমেনন’ হয়ে দেখা দিয়েছে, কোনও চিন্তাশীল মানুষই যাকে আর উপেক্ষা করতে পারেন না। ইউরোপে রেনেসাঁ, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব,

প্রগতিশীলতা বনাম মৌলবাদ প্রেক্ষিত: বাংলাদেশের বাইনারী রাজনীতি

বাজি ধরে বলতে পারি, এই লেখাটার শিরোনাম দেখেই বিরাট একটা অংশের মানুষ রিলাকটেন্ট হয়ে যাবে এই সন্দেহে যে এটি আসলে কাদের পক্ষে লেখা হয়েছে? প্রগতিশীলদের পক্ষ নিয়ে না র্ধমীয় মৌলবাদীদের

বাংলাদেশে দিন দিন মৌলবাদীতা বৃদ্ধির কারনে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কি আফগানিস্তানে পরিনত হতে পারে? কোন দিকে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ?

আফগানিস্তানের মৌলবাদের মূল কারন ১৯৮০ সালের পর থেকে বহিঃশক্তির প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ ও তার প্রভাব যার জন্য সন্ত্রাসবাদ ও তার কণ্ঠলগ্ন মৌলবাদের বিকাশ । বাংলাদেশে এই অবস্থা এখনও না এলেও মধ্যপ্রাচ্যের

বাংলাদেশর ধর্ম ভিত্তিক উন্মাদনার বিষয় গোটা বিশ্বেই এখন আলোচনার বিষয় বটে।

ধর্মীয় উগ্রবাদের কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ যে নেতিবাচক পরিচিতি পাচ্ছে সে বিষয়ে কি আমরা অবগত বা চিন্তিত? সমাজ, রাষ্ট্র বা পরিবার, কোনো জায়গা থেকেই এ বিষয়ে কি উদ্বেগ লক্ষ্য করা যায়?

ধর্ম নিরপেক্ষ মতবাদ পোষনকারী ও সংখ্যা লুঘুরাই হচ্ছে মৌলবাদিদের প্রধান টার্গেট

আবুল হুসেন ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজে’র সম্পাদক পদে ইস্তফা দেন। ইস্তফা পত্রে তিনি লেখেন-“ এই পদত্যাগ করার আসল উদ্দেশ্যটি এই প্রসঙ্গে ব’লে দেওয়া দরকার মনে করি। ‘সাহিত্য সমাজে’র উদ্দেশ্য ছিল চিন্তা করা।

ফান্ডামেন্টালিজম’ বা ‘মৌলবাদ’ সারা পৃথিবী জুড়ে এমনই এক ‘ফেনোমেনন’ হয়ে দেখা দিয়েছে, কোনও চিন্তাশীল মানুষই যাকে আর উপেক্ষা করতে পারেন না।

প্রায় পঞ্চাশ বছর সময়কাল ধরে ‘ফান্ডামেন্টালিজম’ বা ‘মৌলবাদ’ সারা পৃথিবী জুড়ে এমনই এক ‘ফেনোমেনন’ হয়ে দেখা দিয়েছে, কোনও চিন্তাশীল মানুষই যাকে আর উপেক্ষা করতে পারেন না। ইউরোপে রেনেসাঁ, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব,

গণঅভ্যুত্থানে আলেম সমাজের আত্মত্যাগ নিয়ে প্রশন তুলে সমােলোচার মুখে হিজবুত তাওহিদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শুরু থেকে তাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন দেশের আলেম সমাজ ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। তারা সাধারণ ছাত্র-জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তরুণ আলেম প্রজন্ম নামে বিপ্লবোত্তর

ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও হাটহাজারীর পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী গ্রেপ্তার হন ২৫ নভেম্বর। এর পরের দিন চট্টগ্রামের আদালতপাড়ায় তার অনুসারীদের হাতে খুন হন আইনজীবী

বাংলাদেশের জন্য ধর্মীয় উগ্রবাদ এক বিরাট চ্যালেঞ্জের নাম

বহুদিন ধরেই একথা দেশের প্রগতিশীল সকল পক্ষ থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ভয়ংকর ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এর বিস্তার ঠেকাতে কোনো সরকারই তেমন গা করছে না।

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত হিজবুত তাওহিদ বর্তমানে মিডিয়ার সামনে নিজেদের গুনগান প্রচারে ব্যাস্ত।সম্প্রতি ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেও দাবি তুলেছে।

সম্প্রতি ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেও দাবি তুলেছে।গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের দেয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন’ হিজবুত তাওহিদ এর ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে কঠোরতা ছিল সেটি বর্তমানে অনেকটাই শিথিল বলে অনেকে মনে করছেন।

অতীতে কখনোই হিযবুত তাহ্‌রীরকে এতটা সক্রিয় এবং তৎপর বাংলাদেশে দেখা যায়নি বলেও মত অনেকের। সরকার পতনের পর হিযবুত নেতাদের বেশ কয়েকজন জেল থেকে মুক্তিও পেয়েছেন। হিযবুত তাহ্‌রীরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত হিজবুত তাওহিদ নিয়ে বর্তমান সরকারি কতটা সতর্ক তা নিয়ে জনমনে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিয়েছে..

হিযবুত তাহ্‌রীর বা যে কোনো সংগঠন যদি তাদের অবস্থান ব্যক্ত করতে চায় পরিস্কার করতে চায় সে সুযোগ আছে। তারা সরকারের সাথে কথা বলুক। আলোচনা করুক। আলোচনার মাধ্যমে সেটা একটা পর্যায়ে

নিষিদ্ধ সংঘটন (হিযবুত তাহ্‌রীর.)……এখন প্রকাশ্যে …

প্রকাশ্যে হিযবুত তাহ্‌রীর ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরই আগস্টে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে সভা করতে দেখা যায় হিযবুত তাহ্‌রীরের কর্মীদের। সাদা কালো কাপড়ে ইসলামের কলেমা লেখা পতাকা,

বাংলাদেশে ২০০৯ সালে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল হিজবুত তাওহিদ সংঘটনের বিরুদ্ধে

বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ২২ই অক্টোবর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রেসনোট জারি করে হিযবুত তাহ্‌রীর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ওই প্রেসনোটে সংগঠনটিকে ‘শান্তি শৃঙ্খলা এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা পূর্বের থেকে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছেসরকার পতনের পর থেকে।

ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশে সনাতন ধর্মের মানুষেরা ভূমির অধিপতি হিসেবে ঐতিহাসিক ভাবে স্বীকৃত। বংশ পরম্পরায় সেই সনাতন ধর্মের মানুষগুলিই কালানুক্রমে মুসলিম ধর্মে দ্বীক্ষিত হয়েছে। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে বেশির ভাগ

জঙ্গিবাদ প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অর্থায়ন। আমাদের দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলোর জন্য অর্থায়ন আসে মূলত মধ্য-এশিয়ার কয়েকটি দেশ থেকে বিভিন্ন এনজিও অথবা হুন্ডির মাধ্যমে।

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দমনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনস্বীকার্য, কারণ এদেশের জঙ্গিবাদী কার্যক্রম মূলত ধর্ম কেন্দ্রিক ও ধর্মীয় উগ্রবাদ নির্ভর। হলি আর্টিজান হামলার পর বাংলাদেশের ধর্মীয় সংগঠনগুলো ফতোয়া দিয়েছিল যেখানে ১ লক্ষ

জাতি-ধর্ম পরিচয়ভিত্তিক সহিংসতা কমাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। আর এ ধরনের সম্প্রীতি বাড়াতে সামাজিক প্রকল্প নিতে হবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে।

বাংলাদেশে জাতি ও ধর্মের বিবেচনায় হওয়া হামলার ঘটনাগুলোর সঠিক বিশ্লেষণ করতে হলে শুধু ৫ আগস্টের পরবর্তী ঘটনার দিকে তাকালে হবে না; বরং এ ধরনের হামলা কেন হয়, এসব হামলায় কারা

About Me

প্রফেশনাল ব্লগার ও সাংবাদিক। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। এখানে শর্ট বায়গ্রাফি লিখুন। 

Follow